শরীর সুস্থ

শরীর সুস্থ রাখতে যা করবেন আপনি!

দৈনন্দিন জীবনে আমাদের বেঁচে থাকা যতটা গুরুত্বপূর্ণ ততটাই গুরুত্বপূর্ণ আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখা আমাদের শরীরকে সুস্থ না থাকে দৈনন্দিন জীবনে আমরা বিভিন্ন সময় ভেঙে পড়বে এটাই স্বাভাবিক। ভেঙ্গে পড়া থেকে মুক্তি পেতে ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা পেতে দৈনন্দিন জীবনে নিজেকে আরও শক্তিশালী করতে হবে নিজের শরীরকে সুস্থ রাখতে হবে শরীর সুস্থ রাখতে আপনার অনেক করণীয় রয়েছে যেগুলো আপনাকে অবলম্বন করতে হবে। যেমন একটা মেশিন তার কোনো পার্সপাতি বিহীন চলতে পারে না তাই আপনার শরীর হচ্ছে একটা মেশিন আপনার কার্স পাখিগুলোকে নিয়মিত আপডেট করতে হবে নিয়মিত ঠিক রাখতে হব।

নিজের শরীরকে সুস্থ রাখতে আপনার দায়িত্ব অনেক বেশি। শরীর সুস্থ রাখতে আপনি প্রত্যেকদিন যেসব কাজগুলো করবেন সেগুলো লিখে রাখবেন কিংবা সেগুলো রুটিনমাফিক করবেন এতে করে আপনার শরীরের সমস্যা হবেনা প্রত্যেকদিন অতিরিক্ত মাত্রায় কাজ করা যাবে না হয়। কিছু কিছু সময় দেখা যায় দিনের একটা সময় প্রচুর কাজ করে আবার কয়েকটা সময় প্রচুর সময় বসে থাকে এটা শরীরের জন্য ক্ষতিকারক সমানভাবে কাজ করুন এবং সঠিক সময় বিশ্রাম করুন তাহলে শরীরের সব কিছু ঠিক থাকবে।

দৈনন্দিন জীবনে আমাদের সুস্থ থাকাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সুস্থ থাকতে এসব কাজ করণীয় যে প্রত্যেক দিন যেসব কাজ করেন বা যখন খাবার খান সে গুলোকে নিয়মমাফিক খেতে হবে সেগুলো কি সুন্দর ভাবে রুল করতে হবে এবং রুটিন মাফিক সবকিছু করতে হবে। দৈনন্দিন জীবন আমাদের সুস্থ থাকতে মাত্রা তান্ত্রিক কিছুই করা যাবে না যে মন সবকিছু স্বাভাবিক করতে হবে শরীরের ওভারলোড করে কিছু করা যাবে না এতে করে শরীর ভেঙ্গে পড়বে অকালেই আপনার শরীর ভেঙে পড়ার প্রবণতা থাকতে পারে।

শরীরকে সুস্থ রাখতে যা করণীয়!

শরীর সুস্থ

শরীরকে সুস্থ রাখতে করণীয় তো আপনি রুটিন মাফিক কাজ করতে পারেন আপনার কাজগুলো হবে রুটিন অনুযায়ী। প্রত্যেকদিন সকালে ব্যায়াম করতে হবে এবং এটা রুটিন করতে হবে রেগুলার করতে হবে এতে করে আপনার শরীরের বৈশিষ্ট্যটা বৃদ্ধি পাবে দিন দিন শরীর এর উৎপত্তি ঘটতে থাকবে। শরীরের উৎপত্তি এবং শরীরকে সতেজ ও সুন্দর রাখতে প্রত্যেকদিন সকালে পুশ আপ ব্যায়াম করতে পারেন এতে করে শরীরের মধ্যে একটা শক্তি যোগান পাবে এবং শরীরের মধ্যে সুন্দর একটা শক্তি উৎপত্তি হয়। পুশ আপ ব্যায়াম আপনার শরীর বলে বিশ্বাস করে ফেলে এবং শরীরের মধ্যে একটা শক্তি উৎপাদন করতে সহযোগিতা করেন।

আরো পড়ুনঃ  শীতের দিনে হাত-পায়ের যত্ন নেয়ার কৌশল!

প্রত্যেকদিন খাবারের মধ্যে ভিটামিনযুক্ত কিছু আইটেম রাখুন যাতে আপনার শরীর আরো বেশি সদস্য এবং বৃদ্ধি পায় শরীরের মধ্যে আরও কিছু প্রবণতা উৎপত্তি হয়। শরীরকে সতেজ এবং সুস্থ রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকদিন যে কিছু খাবার রয়েছে তার মধ্যে ভালো কিছু যুক্ত রাখুন। খাবারের মধ্যে ভিটামিন জাতীয় কিছু যুক্ত থাকলে এতে করে শরীর এবং মন দুটোই সাথে থাকবে।

শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখতে নিয়মিত খাবার খেতে হবে নিয়মিত খাবারের মধ্যে ভিটামিনযুক্ত খাবার রাখতে হবে যাতে কথায় শরীরকে সতেজ এবং প্রসক্তি মান হতে পারে। শরীরের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী ব্যায়াম হাঁটাচলা সবকিছু ঠিক রাখতে হবে। নিয়মিত যেসব খাবার খাবেন সেগুলো যেন মাত্রাধিক না হয় যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে এবং সে বিষয়ে আপনাকে অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে। মানুষের শরীর তখনই খারাপ করে যখন শরীরের প্রতি কেয়ার করা হয় না যখন শরীরকে সুন্দর ভাবে খেয়াল করা হয় না যখন শরীরকে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয় না তখন দিন দিন মানুষের শরীরকে খারাপের দিকে ঠেলে নিয়ে যায় এগুলো থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত শরীরচর্চা বিকল্প কিছুই নেই।

নিয়মিত শরীরচর্চার বিকল্প!

শরীর সুস্থ

বিষয়টি যদি আমরা ভালোভাবে খাটিয়ে দেখই তাহলে নিয়মিত শরীরচর্চার বিকল্প কিছুই থাকেনা শরীরচর্চা করতে হবে শরীর সুস্থ রাখতে। তবে ধন্য জীবনে কিছু নিয়ম রয়েছে শরীর পরিচর্যা করার জন্য সেগুলো কি অবশ্যই মেনটেইন করে চলতে হবে। প্রত্যেকদিন শরীরচর্চার জন্য রুটিন করতে হবে এবং সেগুলো অনুযায়ী প্রত্যেক দিন ব্যায়াম করতে হবে খেতে হবে কারণ অতিরিক্ত কিবা ওভারলোড হলে তখন সমস্যা হতে পারে সে বিষয়টা মাথায় রেখে খাওয়া-দাওয়া করতে হবে কিছু কিছু সময় অনুষ্ঠানে পর্যাপ্ত খেয়ে থাকে তাই পর্যাপ্ত না খেয়ে

আরো পড়ুনঃ  উৎপাদনের উপকরণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর

নিয়মিত শরীরচর্চার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। ব্যায়াম করলে আপনার শরীর ভালো থাকে শরীরের ক্যালসিয়াম শরীরে রোগ জীবাণু এগুলো কতটা সত্যি হতে পারে না শরীরে রোগ আক্রমণ করতে পারে না আর যদি আপনি ব্যায়াম না করে শুধু অলসতা করেন সার্বক্ষণিক তাহলে আপনার শরীরের মধ্যে বিভিন্ন রোগ জন্ম নেয় বিভিন্ন অলসতা কাজ করে যার জন্য শরীরকে সতেজ রাখা প্রয়োজন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

আমি তো আমরা যে খাবার গুলো খেয়ে থাকে সেগুলো আদৌ ভিটামিনযুক্ত কি না সেগুলো আমাকে চেক করতে হবে আমরা বাজে খাবার খেয়ে আমাদের শরীরকে আরো দুর্বল করে ফেলি। আমাদের খাবারের মধ্যে ভিটামিন থাকতে হবে ভিটামিনযুক্ত খাবার আমাদের গ্রহণ করতে হবে এবং সপ্তাহে দুদিন হলেও মাছ-মাংস খেতে হবে এতে করে শরীরের শক্তিগুলো উৎপত্তি হতে থাকে। বিশেষ করে অলসতা করা যাবেনা বিভিন্ন কাজের মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে হবে বলে সেটা করলে শরীর ভেঙ্গে যাবে এটা স্বাভাবিক।

শরীর সুস্থ রাখার গুরুত্ব?

শরীর আমরা এজন্য সুস্থ রাখবো কেননা শরীর সুস্থ না থাকলে আমাদের কিছুই সুস্থ নয় শরীর সুস্থ থাকলে আমাদের সবকিছু সুন্দরভাবে চলতে থাকে সবকিছু সুন্দরভাবে কমপ্লিটলি হতে থাকে আর যদি শরীরটাকে অসুস্থ সেখানে আমাদের জীবনের সবকিছু অসুস্থ মনে হতে পারে তাই শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য আমাদের যেসব কাজগুলো করা হয় সেগুলো দৈনন্দিন জীবনে করতেই হবে।

শরীর সুস্থ রাখতে দৈনন্দিন জীবনে যে সকল কাজগুলো গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো আমাদের সচেতনভাবে করতে হবে আমরা সুস্থ থাকলে আমাদের পরিবার সুস্থ্য থাকবে আমি বেঁচে থাকলে আমাদের পরিবার বেঁচে থাকবে তাই পরিবার-পরিজনদের চিন্তা করে হলেও নিজের শরীরের যত্ন নিতে হবে নিজেকে অনেক দিন বাঁচতে হবে অনেক বছর বাঁচতে হবে এই চিন্তায় নিজেকে আরও বেশি সুস্থ রাখতে হবে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে পরেও নিজের শরীরের যত্ন নিতে হবে কারণ শরীর ঠিক থাকলে আপনার সমস্যা গুলো অটোমেটিক সমাধান হয়ে যাবে বিভিন্ন সময় দেখা যায় শরীরের যত্ন হওয়ার ফলে নিজেকে দিনদিন অসুস্থতার মধ্যে ঠেলে দেয়া হচ্ছে নিজেকে বিভিন্ন সিস্টেমের মাধ্যমে তিলে তিলে শেষ করা হচ্ছে।

আরো পড়ুনঃ  মোটা হওয়ার সহজ ৫টি কার্যকারি উপায়

সুস্থতা মানুষের কতটা গুরুত্বপূর্ণ তাই একটু অসুস্থ মানুষ বুঝতে পারে কোথায় রয়েছে যার দাঁত নেই সেবুজে দাঁতের মর্মতা কতটা তেমনি একটা সুস্থ মানুষ বুঝতে পারেনা তার সুস্থতা কত যুগ গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু একটা অসুস্থ কি একটা পঙ্গু মানুষ বুঝতে পারে একটা সুস্থ মানুষের গুরুত্ব কম এই একটা সুস্থ মানুষ কত ভাল রয়েছে তাই সুস্থ থাকতে জীবনকে সুস্থ রাখতে আপনার দৈনন্দিন জীবনকে আরও সচেতন করে তুলুন আরো আনন্দময় আরো সুখময় করে তুলুন। শরীর সুস্থ রাখার বিকল্প কিছুই দেখছি না বেঁচে থাকতে হলে শরীরের যত্ন নিতে হবে এটা স্বাভাবিক শরীরের সবকিছু ঠিক রাখতে হবে এটা স্বাভাবিক তাই শরীরের রূপচর্চা শরীরচর্চা নিয়মিত রাখুন এতে করে আপনার শরীর নিয়মিত ভালো হতে থাকবে বরং দিন দিন ভেঙ্গে পড়বে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *