স্মার্ট হওয়া
স্মার্ট হওয়া

খুব সহজে স্মার্ট হওয়ার ৫ টি কার্যকর উপায়

যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বর্তমানে স্মার্ট হওয়াটা খুবই প্রয়োজন। আর স্মার্ট হতে হলে স্মার্ট হবার উপায় গুলো সম্পর্কে অবশ্যই জানতে হবে। নিজেকে স্মার্ট গড়ে তোলা কিন্তু এতোটা সহজ কাজ নয়। কিন্তু আবার খুব বেশি কঠিন কাজ ও নয়। কিছু নিয়ম ও গুণাবলির মাধ্যমেই আপনি খুব সহজে স্মার্ট হতে পারেন। তাহলে অবশ্যই আপনাকে সেই নিয়ম ও গুণাবলি সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে। তারপর অবশ্যই আপনাকে সেগুলো অনুশীলন করতে হবে এবং ধাপে ধাপে সেগুলোকে অভ্যাসে পরিণত করে স্মার্ট হতে হবে।

স্মার্টনেস আসলে কি?

চেহারা সুন্দর বা শুধু ভালো পোশাক পরলেই স্মার্ট হওয়া যায় না। দেখতে ভালো লাগা বা শুধু ট্রেন্ডি পোশাক পোশাক পড়লেই স্মার্ট হওয়া যায় না। আপনার নিজের অভ্যন্তরীণ মানসিক ব্যাপারই হল স্মার্টনেস। আপনার নিজের বিবেক বুদ্ধি দিয়ে কাজ করা, মানুষের সাথে ভালো ব্যাবহার করাই হল আসল স্মার্টনেস। খুব সুন্দর ও নির্ভুল ভাবে একটি কাজ সম্পাদন করাই হল স্মার্টনেস।

স্মার্ট হওয়ার প্রয়োজনীয়তা!

একটি মানুষের জীবনে স্মার্ট হওয়াটা অত্যন্ত প্রয়োজন। কারন আপনি যদি কারো সাথে সুন্দর,নম্র,ভদ্র ভাবে কথা বলতে না পারেন তাহলে পরবর্তীতে আপনার সাথে কেউ কথা বলতে চাইবে না কিংবা আপনার কথা কেউ শুনতেও চাইবে না। আপনি নিজে একবার চিন্তা করে দেখুন তো সকাল থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত কত মানুষের সাথেই না আপনার দেখা হয়,কত মানুষের সাথেই ত আপনার কথা বলতে হয়। এখন আপনি যদি ওদের সাথে সুন্দর ভাবে কথা বলতে না পারেন বা সুন্দর ব্যাবহার করতে না পারেন তাহলে পরবর্তীতে ওদের কাছে আপনার গুরুত্ব কমে জাবে। আপনি কারো কাছে পাত্তা পাবেন না। যেটা আপনার জন্য হবে খুবই বেদনাদায়ক।

আরো পড়ুনঃ  ভালো বয়ফ্রেন্ড হয়ে উঠার গুরুত্বপূর্ণ ৫ টি টিপস!

এখন হয়তো নিশ্চয়ই বুজতে পারছেন যে স্মার্ট হওয়া প্রয়োজন কততুকু। তাই আপনাকে যদি স্মার্ট হতে হয় তাহলে অবশ্যই কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। নিচে স্মার্ট হবার ৫ টি কার্যকর উপায় সম্পর্কে আলোচনা করা হল। যেগুলো মেনে চললে আপনিও খুব সহজে স্মার্ট হতে পারবেন।

১. নতুন কিছু শিখুন

স্মার্ট হওয়া এত সহজ কাজ নয়। যদি সহজই হতো তাহলে সবাই স্মার্টই থাকতো। স্মার্ট হবার প্রত্যেকটি গুণাবলি সম্পূর্ণ ভাবে অর্জন করতে পারলে খুব সহজেই স্মার্ট হতে পারবেন। আর নতুন কিছু শিখা হল সেই গুণাবলির প্রথম ধাপ। সবসময় নতুন কিছু শিখার মধ্যে দিয়ে আপনাকে ভালো পজিশনে থাকতে হবে। পুরাতন জিনিসের প্রতি আগ্রহ কমিয়ে ফেলতে হবে। সৃজনশীল চিন্তাধারার মাধ্যমে সবসময় নতুন কিছু উদ্ভাবনের চেষ্টা করতে হবে। আপনাকে সবসময় নতুন কিছু নিয়ে চিন্তা করতে হবে,নতুন কিছু করতে হবে। নিজের চিন্তা ভাবনা দিয়ে আপনাকে সবসময় নতুন কিছু ভাবতে হবে। তাহলে আপনি সবার থেকে এগিয়ে থাকতে পারবেন।

২. সুন্দর ও মার্জিত ভাষায় কথা বলুন

ছোট বড় সব মানুষের সাথে সুন্দর করে কথা বলুন। সবার সাথে মার্জিত ভাষায় কথা বলার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে করেস্মার্ট হওয়ার পথে আপনি অনেক টুকুই এগিয়ে যাবেন। মানুষের সাথে রাগান্বিত ভাবে কথা না বলে সবার সাথে নম্র,ভদ্র ভাবে কথা বলুন। এতে করে সবাই আপানকে পছন্দ করবে এবং আপনার সুনাম অন্য মানুষের কাছেও গিয়ে বল্বে। যদি আপনি মানুষের সাথে সুন্দর,নম্র,ভদ্র ও মার্জিত ভাষায় কথা না বলেন তাহলে কেউ আপনার সাথে কথা বলতে চাইবে না। তাই স্মার্ট হতে চাইলে অবশ্যই সবার সাথে সুন্দর ও মার্জিত ভাষায় কথা বলুন।

৩. শরীরের ফিটনেস আকর্ষণীয় করে তুলুন

স্মার্ট হওয়া একটা বড় গুন হচ্ছে শরীরের ফিটনেস আকর্ষণীয় করে তোলা। বর্তমানে রোগা পাতলা শরীর কেউ পছন্দ করে না। তাই সবাই চায় তার ফিটনেস যেন আকর্ষণীয় হক। কিছু নিয়ম মেনে চললেই ফিটনেস আকর্ষণীয় করে তোলা সম্ভব। যেমন আপনাকে অবশ্যই পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে,নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে,শরীরের যত্ন নিতে হবে,বেশি করে পানি পান করতে হবে,রাত না জেগে তারাতারি ঘুমিয়ে পরতে হবে,আবার সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠতে হবে। সারাদিন বাসায় বসে না থেকে বাইরে গিয়ে হাঁটাহাঁটি করতে হবে। এতে করে শরীর ও মন ২ টাই ভালো থাকবে।

৪. পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন

নোংরা জিনিস কারো কাছেই দেখতে ভালো লাগে না। তাই নোংরা জিনিস কেউ পছন্দও করে না।তাই সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকাটা অত্যন্ত জরুরী। সবসময় পরিষ্কার পোশাক পরিধান করুন। এতে করে আপনাকে অনেক আকর্ষণীয় লাগবে। কোন মানুষের সাথে কথা বলার সময় মানুষের নজর সবার আগে পোশাকের দিকেই জায়। ওরা লক্ষ্য করে যে আপনি মানসম্মত পোশাক পরিধান করেছেন কিনা। এটা দেখেই মানুষ কিছুটা আইডিয়া নেয় যে আপনি স্মার্ট নাকি স্মার্ট না। তাই স্মার্ট হতে হলে আপনাকে অবশ্যই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।

৫.গুছিয়ে কথা বলুন

প্রয়োজনীয় কথা ছাড়া অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। বেশি কথা বলবেন না, ঠিক যতটুকু দরকার ততটুকু কথা বলুন। কারন বেশি কথা বলার মাঝে অনেক ভুল হতে পারে। যে কথাই বলুন না কেন সবসময় গুছিয়ে কথা বলার অভ্যাস করুন। এতে করে মানুষ বিরক্ত বোধ করবে না।

আরো পড়ুনঃ  তোমার প্রেমে আমি পাগল: ভালোবাসার গল্প পর্ব-১

কথা বলার সময় যেইদিকে খেয়াল রাখতে হবে, সত্যি বা সঠিক হচ্ছে কিনা, স্পষ্ট ভাবে কথা গুলা বলছেন কিনা, গোছালো হচ্ছে কিনা, তর্ক-বিতর্ক হচ্ছে কিনা, যদি হয় তাহলে থেমে যান, ইতিবাচক হচ্ছে কিনা,নেতিবাচক কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। এই উপায় গুলো অভ্যাসে পরিনিত করতে পারলে খুব সহজেই স্মার্ট হওয়া সম্ভব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *